নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত যুদ্ধকালীন অনুসন্ধান ও উদ্ধার ইউনিট ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
তিনি বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, 'উদ্ধার লক্ষ্য যদি এমন স্থানে থাকে যেখানে হেলিকপ্টার পৌঁছানো সম্ভব নয়, তাহলে এসি-১৩০ গানশিপ থেকে সদস্যরা নেমে স্থলপথে অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাটিতে নামার পর প্রধান লক্ষ্য নিখোঁজ ক্রুর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা।'
এছাড়া পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া, শত্রুর চোখ এড়িয়ে চলা বা প্রয়োজন হলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং নিরাপদ স্থানে পৌঁছে উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করাও তাদের দায়িত্বের অংশ। এসব কারণেই প্যারারেস্কিউ সদস্যদের বিমানবাহিনীর ‘সুইস আর্মি নাইফ’ বলা হয়। সাবেক ওই কমান্ডার এই মিশনকে “অত্যন্ত বিপজ্জনক ও ভয়াবহ” বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া একটি মার্কিন ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার ইরানি বাহিনীর গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে সেটি ভূপাতিত হয়নি বলে দাবি তাদের। বিপরীতে ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি বলছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হেলিকপ্টারটি ভূপাতিত হয়েছে।
এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দাবি করে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-৩৫সহ দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। পাশাপাশি ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন পাইলটদের একটি গোপন ঘাঁটি ধ্বংস করার কথাও জানানো হয়।