বর্তমান সরকার পায়রা, মংলা এবং হিরণ পয়েন্টে নতুন তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলো শেষ হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একথা জানান তিনি।
বিদ্যুতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ মুহূর্তে আমরা পুরোটা ঘাটতির মধ্যে আছি। এখন রাতের বেলা বিদ্যুতের ডিমান্ড বেশি তার কারণ গরিবের টেসলা, এটার বেশিরভাগ ইলিগ্যাল কানেকশন।
তিনি বলেন, সরকার ওয়্যারলেস গতিতে কাজ করছে। কিন্তু কিছু জিনিস আমাদের হাতের মধ্যে নেই। আমরা দিনরাত এটার পেছনে লেগে আছি। আমরা দ্রুতই সমাধান করতে পারব।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এ বিষয়ে খুব সিরিয়াস, সরকার অলরেডি তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সাথে বৈঠক করেছে, চেষ্টা করছে কীভাবে এর থেকে বের হওয়া যায়। সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সমাধান করার। আপনারা এটলিস্ট আমাদের মোরাল সাপোর্টটা দেন তাহলে আমাদের সহজ হবে কাজ করা।
সোলার ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, সোলারটাকে যদি আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমাদের অনেক ঘাটতি কমে যাবে। আমরা কোনো জায়গা ছাড়ছি না। যেখানে যা সুযোগ, সম্ভাবনা আছে সেটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।
তিনি বলেন, যদি ইন্ডাস্ট্রি না চলে তাহলে ইকোনমিক গ্রোথ থাকবে না। আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, আজকের সরকার অনেক ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ করবে, সেখানে দেখা যাবে মানুষের ইনকাম কমে যাবে। গ্যাসের কারণে, বিদ্যুতের কারণে ৩৫-৪০ শতাংশ উৎপাদন কমেছে, এর দায় কে নেবে?
তিনি বলেন, আজকে বিদ্যুৎ নেই কিন্তু আমার বিল দিতেই হচ্ছে, আমাকে কর্মীর বেতন দিতে হচ্ছে, সবই হচ্ছে তাহলে আমাকে বাঁচাবে কে।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, সরকার আসবে যাবে কিন্তু জনগণ বা ইন্ডাস্ট্রি সাফার করবে এটা হতে পারে না। আপনারা আমাদের সুবিধাগুলো এনসিওর করেন বা সমাধান করেন।
সদ্য সংবাদ/এসকে