‘জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা ব্যক্তিরাই জুলাইকে অবহেলা করেছেন’

ক
কুবি প্রতিনিধি
২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৫:২০

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, তাঁরাই জুলাইকে সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, সরকার গত ঈদের পর থেকে জুলাই ফাউন্ডেশনে কোনো বাজেট দিচ্ছে না।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।

কর্মসূচিতে ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে যান। সেখানে কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।

কর্মসূচি শেষে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “সরকারের ঢাকা থেকে কুমিল্লা রেললাইন নির্মাণের জন্য ৮৪ হাজার কোটি টাকা আছে, কিন্তু জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য কোনো টাকা নেই। কারণ, জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করতে পারবে না। কিন্তু ৮৪ হাজার কোটি টাকায় রেললাইন নির্মাণ করলে সেই টাকায় সচিবদের ছেলেরা আমেরিকায় পড়তে যাবে, আমলারা বেগমপাড়ায় যাবে। এ জন্য জুলাইকে বাঁচিয়ে রাখা তাদের জন্য হুমকি।”

তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলামী জুলাইয়ের বদৌলতে ৭০টি আসন পেয়ে বিরোধী দল হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে তারা কী জোরালো পদক্ষেপ নিয়েছে, তা আমরা জানতে চাই।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে জাবের বলেন, “এনসিপির জন্ম হয়েছে জুলাইয়ের মাধ্যমে। জুলাই না হলে এনসিপি নামের কোনো দল হতো? তাদের যে ছয়জন সংসদ সদস্য হয়েছেন, তাঁরাও জুলাইয়ের কারণেই হয়েছেন। জুলাইয়ের কারণে আজ যারা সংসদ সদস্য হয়েছেন, তাঁরা জুলাই গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংসদে বসে দু-একটি বক্তব্য দেওয়া ছাড়া আর কী কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা আমরা জানতে চাই।”

জাবের আরও বলেন, “আমরা বিএনপি নই, এনসিপি নই, জামায়াতও নই। কিন্তু বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়াতে গিয়ে কারও বিরোধিতা করতে হলে, সে এনসিপি হোক, জামায়াত হোক কিংবা বিএনপি হোক তা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আবার দেশের স্বার্থে কারও পক্ষ নিতে হলেও আমরা তা করব। এতে কে আমাদের কী ট্যাগ দেবে, সেটি দেখার বিষয় নয়।”

প্রসঙ্গত, শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করা, গণভোটের গণরায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাই, শাপলা ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার তিন দফা দাবি নিয়ে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচির অংশ হিসেবে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পদযাত্রা করছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন তাঁরা।

সদ্য সংবাদ/ এআর

ক্যাম্পাস ব্রেকিং

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সদ্য. প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ.লীগ ও যুবলীগপন্থী কর্মকর্তারা সদ্য. সাইবার হামলার আশঙ্কা, সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সদ্য. স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪৬ সদ্য. বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক ওসি ও এসআই সদ্য. হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ সদ্য. ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা সদ্য. শাহজালাল বিমানবন্দরে প্যান্ট-অন্তর্বাস থেকে ২৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার সদ্য. শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং সদ্য. গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সদ্য. প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সদ্য. প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের বাসভবনের দায়িত্বে আ.লীগ ও যুবলীগপন্থী কর্মকর্তারা সদ্য. সাইবার হামলার আশঙ্কা, সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভারের কার্যক্রম সদ্য. স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪৬ সদ্য. বিএনপি নেতা মশিয়ার হত্যা মামলায় কারাগারে সাবেক ওসি ও এসআই সদ্য. হঠাৎ হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ সদ্য. ঢাকা ওয়াসা বোর্ড বিলুপ্ত, এমডির হাতে একক ক্ষমতা সদ্য. শাহজালাল বিমানবন্দরে প্যান্ট-অন্তর্বাস থেকে ২৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার সদ্য. শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং