বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সফরকে কেন্দ্র করে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে নিয়মিত ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে না। এর কারণ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মহড়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের পরপরই কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তা সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে তারেক রহমানের ভারত সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে কি না, নাকি বিজ্ঞপ্তিটি ভুলবশত প্রকাশ করা হয়েছিল তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি ভবনের এমন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ সম্ভাব্য কোনো রাষ্ট্রীয় সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত হতে পারে। তবে বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের পর সফরের সময়সূচি বা আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে রয়েছে।
তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়েও আগে থেকেই নানা আলোচনা রয়েছে। গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য সফর নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সব মিলিয়ে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও পরবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহারের ঘটনায় তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কৌতূহল আরও বেড়েছে। তবে সফরের তারিখ, কর্মসূচি কিংবা আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে দুই দেশের পক্ষ থেকে নতুন কোনো নিশ্চিত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি সম্ভাবনার পর্যায়েই থাকছে।
সদ্য সংবাদ/এসএস