ইরানের সঙ্গে সংযোগকারী ‘শিব’ সীমান্ত ক্রসিং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরাক। নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হওয়া এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় যাত্রী, ব্যক্তিগত যানবাহন ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সীমান্তপথটি বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত ক্রসিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে কী ধরনের হুমকি বা ঝুঁকির কারণে ক্রসিংটি বন্ধ করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ইরাক ও ইরানের মধ্যে বাণিজ্য এবং মানুষের যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর একটি হলো শিব সীমান্ত ক্রসিং। ফলে এটি বন্ধ থাকায় দুই দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পণ্য পরিবহন ও যাত্রী চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে গত সেপ্টেম্বরেও ইরান সীমান্তের শালামচেহ ক্রসিং বন্ধ করেছিল ইরাক। সে সময় সৌদি আরবে ড্রোন হামলার পর নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো ইরাকের ভূখণ্ড থেকে উড়েছিল।
নতুন করে শিব সীমান্ত ক্রসিং বন্ধের ঘটনায় ইরাক-ইরান সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো হুমকি রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: রয়টার্স
সদ্য সংবাদ/এসএস