তিনি বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্কুল ও অন্যান্য অসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে তাদের মূল্যবান অস্ত্রভাণ্ডার অপচয় করছে। যদি তারা বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস না করত, হয়তো এখনো তাদের ভাণ্ডারে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র রয়ে যেত।'
বাঘায়ি বিশেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাবে অবস্থিত ‘শাজারেহ তাইয়েবাহ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন হামলার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, 'যদি ওইদিন স্কুলে নিক্ষেপ করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র বাঁচিয়ে রাখত, তবে আজ তারা গর্ব করে বলতে পারত যে আরও দুটি টমাহক তাদের ঝুলিতে রয়ে গেছে।'
ইরানের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে।
বর্তমানে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র রূপ নিয়েছে। ইরানের দাবি, মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের সীমিত মজুদের কারণে তারা দ্বিধায় রয়েছে। এ অবস্থাকে কেন্দ্র করে ইরান মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি