আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সমমনা দলের আরও কয়েকজন নেতাকে আসন ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি জানান, বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)–এর মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ আসনে ইসলামী ঐক্য জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে একই দলের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান, ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেসব আসনে সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এই তালিকার বাইরেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত হলে তা জানানো হবে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান আহমেদ এবং ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে আসন দেওয়া হয়েছে। রেদোয়ান আহমেদ ইতোমধ্যে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন এবং ববি হাজ্জাজ শিগগিরই দলে যোগ দেবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, যেসব দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা হয়েছে, তারা নিজ নিজ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। আর যারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, তারা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।