মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
রাশেদ খান লেখেন, 'বাউল আবুল সরকারের বক্তব্য একটু আগে শুনলাম। তিনি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ইচ্ছাকৃতভাবে কটূক্তি করেছেন। শিল্পচর্চার স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আল্লাহ, ইসলাম কিংবা হিন্দু ধর্মসহ কোনো ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করার অধিকার কারও নেই।'
তিনি আরও বলেন, 'বাউল সরকারের মুক্তি চাইছেন যারা, তারা আগে তার বক্তব্য শুনুন। তিনি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছেন। আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তি হলে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করতে সাহস পাবে না।'
গত ৪ অক্টোবর মানিকগঞ্জের ঘিওরে এক সঙ্গীতানুষ্ঠানে আবুল সরকার ইসলাম ও আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে। ধর্মীয় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে তার গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।
এরপর, গত বৃহস্পতিবার ভোরে ডিবি পুলিশ বিশেষ অভিযানে মাদারীপুর থেকে আবুল সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। ঘিওর বন্দর মসজিদের ইমাম মুফতি মো. আব্দুল্লাহ তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, আদালত প্রাঙ্গণে ইসলামী সংগঠনগুলোর ব্যানারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, আবুল সরকার নিয়মিত কুরআনের আয়াত ভুলভাবে পাঠ ও ব্যাখ্যা করেন এবং নিজেকে ‘পীর’ পরিচয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেন।
ঘিওর থানার ওসি মো. কহিনুর ইসলাম বলেন, 'অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের সময় ধর্ম নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।'