শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চেম্বার বিচারপতির আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।
এর আগে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের দায়ের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
হাইকোর্টে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। অপরদিকে ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান এবং ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন নাহিদ ইসলাম। রিটে ঢাকা-১১ আসনে কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।