রাজধানীর চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রায় ছিল রঙিন মুখোশ, বিশালাকৃতির মোটিফ এবং লোকজ শিল্পের বহুমাত্রিক উপস্থাপনা। বর্ণিল এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের ঢলে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
এদিকে, বৈশাখী শোভাযাত্রাকে ঘিরে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত ছিলেন।
এর আগে ভোরে রমনার বটমূলে অনুষ্ঠিত হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। সেখানে সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।
নববর্ষকে ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকের কাছে এ উৎসব কেবল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং শেকড়ে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ।
এদিকে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে সাম্প্রতিক বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার প্রতিবাদও উঠে আসে। একই সঙ্গে তারা একটি অসাম্প্রদায়িক ও সাংস্কৃতিক বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।