মির্জা ফখরুল বলেন, 'স্বাধীনতার শত্রুরা যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল, তারা আজও নতুনভাবে মাথাচাড়া দিতে চায়। তবে বাংলাদেশের মুক্তিকামী, স্বাধীনতাকামী ও গণতন্ত্রকামী মানুষ তাদের ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।'
তিনি আরও বলেন, 'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, সেই যুদ্ধে আমরা ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছি। এই দিনটি আমাদের এবং বিএনপির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
এ সময় ফখরুল দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সমাধি জিয়ারত করেন এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার শপথ নেন।
ফখরুল আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরলে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই আরও তীব্র হবে।
এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান ও আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।