পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইরানের ওপর শক্তিশালী আক্রমণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ পদক্ষেপকে একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ সময় আবুধাবি ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ, যার মধ্যে যুক্তরাজ্যও রয়েছে, এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করছে।
মিডল ইস্ট আই-এর তথ্য অনুযায়ী, জর্ডান, ইউএই ও যুক্তরাজ্য গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করবে এবং ইরানী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে। এ কার্যক্রমের লক্ষ্য হচ্ছে ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
তবে ব্রিটেনের অংশগ্রহণের মাত্রা এখনও অনিশ্চিত। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রমে মিত্রদের ভূমিকা সীমিত করার সাম্প্রতিক ট্রাম্পের মন্তব্য এ বিষয়কে আরও জটিল করে তুলেছে।
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন এবং দেশটির উচ্চস্তরের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারা গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক সমর্থন ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম শেয়ার করার পরিকল্পনা করছেন।
অন্যদিকে, কয়েকজন আরব কূটনীতিক ও উপসাগরীয় কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তারা ইরানে হামলার সময় ‘ক্রসফায়ারে’ পড়তে পারেন। সৌদি আরব, ওমান ও কাতার যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন হামলা চালানো থেকে বিরত রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে, যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থান এখনো স্পষ্ট নয়।