বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
যেসব আসামির পক্ষে রাষ্ট্র আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তারা হলেন: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
আজ বৃহস্পতিবার ছিল অভিযুক্ত সাত আসামির আত্মসমর্পণের নির্ধারিত দিন। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা কেউ আদালতে হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাদের পলাতক ঘোষণা করেন। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এ সময় প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-২ এই সাত নেতার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হত্যার নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানির অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।
পরবর্তীতে, ২৯ ডিসেম্বর তাদের হাজির হওয়ার দিন ধার্য করা হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী কোনো ঠিকানায় খুঁজে পায়নি। এ অবস্থায় ৩০ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে হাজির হওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়।
শেষ পর্যন্ত কোনো আসামি হাজির না হওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিধি অনুযায়ী তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।