বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমানের স্ত্রী বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) কাতার সরকার জানিয়েছে, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার জন্য প্রয়োজন হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাতে তারা প্রস্তুত।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের বরাতে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য অপরিবর্তিত এবং কিছুটা স্থিতিশীল। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রিচার্ড বিল ও চীনের ৬ সদস্যের এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ঢাকায় এসে মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের গুরুতর সংক্রমণ নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। বর্তমানে তিনি কিডনি, হৃদরোগ এবং নিউমোনিয়ার চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তিনি সিসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দায়িত্বে অধ্যাপক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ডে জোবাইদা রহমানসহ দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সমন্বয় করছেন।