বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলেন, 'আমাদের সাথে বিএনপির দুটি আসনে সমঝোতা হয়েছে। এছাড়া আমাদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে মন্ত্রীত্ব ও উচ্চকক্ষে একটি আসন এবং সংরক্ষিত নারী আসন দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।'
গণঅধিকার পরিষদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খাইরুল বলেন, 'ফ্যাসিবাদ পতনের সময় যুগপৎ আন্দোলনে আমাদের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিএনপি নুরুল হক নুরের পটুয়াখালী-৩ ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের ঝিনাইদহ-৪ আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না। আমরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এই সিদ্ধান্তের জন্য ধন্যবাদ জানাই।'
তিনি আরও বলেন, 'সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমাদের দলীয় প্রতীক ট্রাক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবেন। এটিকে কোনো নির্বাচনী জোট হিসেবে গণ্য করা যাবে না।'
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপি ইতোমধ্যেই ২৭২টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। বাকি ২৮টি আসন শরিকদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে গতকাল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। আজ আরও ১০টি আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, কোনো বিএনপি নেতা যদি এমন আসনে প্রার্থী হয় যেখানে শরিককে সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।