গাজীপুরে অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদন ও বাজারজাতের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে দুইটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এ সময় তিন ব্যক্তিকে বিভিন্ন আইনে মোট ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি একজনকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার গাছা ও টঙ্গী পূর্ব থানা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। র্যাব-১, গাজীপুর জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, গাছা থানার মাদবর বাড়ি এলাকায় একটি কারখানায় নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে বিপুল পরিমাণ পলিথিনের কাঁচামাল ও প্রস্তুত পণ্য মজুত ছিল। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আব্দুল খালেক সরকারকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার সংক্রান্ত আইনে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়।
অন্যদিকে টঙ্গী পূর্ব থানার হকের মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরেকটি পলিথিন কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক শহিদুল্লাহকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে ওই কারখানাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া একই এলাকায় ওজন ও পরিমাপের মানদণ্ড এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে টিটু নামে আরেক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দুই কারখানা থেকে মোট ১ হাজার ৯০৩ কেজি পলিথিন রোল, ১৮২ কেজি পলিথিন ব্যাগ এবং ৭৮১ কেজি পলিথিনের দানা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সব পলিথিন পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অভিযানে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল্লাহকে গাজীপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নিষিদ্ধ পলিথিনের উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
সদ্য সংবাদ/এসএস