নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে স্কুলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহ আলমগীর (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২৮ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দুপুরে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমগীরের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার রানীচাপুর গ্রামের নূরুল হকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানীচাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জেরে গত বুধবার সন্ধ্যায় রানীচাপুর এলাকায় প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ। দিনভর থেমে থেমে চলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৮ জন আহত হন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁদের প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার আলমগীরের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সংঘর্ষে এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন চাকুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুর রহমানের লোকজন। অন্য পক্ষের সঙ্গে ছিলেন একই ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লিগেল মিয়ার অনুসারীরা।
খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরুদ্দিন বলেন, উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি মামলা হয়েছে। সংঘর্ষে নিহত হওয়ার ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ওসি আরও বলেন, রানীচাপুর এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সদ্য সংবাদ/ এআর