২০০ বছরের প্রতীক্ষা শেষে ঘরে এলো কন্যাসন্তান, রাজকীয় আয়োজনে বরণ

স
সদ্য সংবাদ ডেস্ক
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৭:০২:৫২
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মহারাষ্ট্রের বীড জেলার দাহিফালে পরিবারে কন্যাসন্তানের জন্ম ঘিরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। পাঁচ প্রজন্ম ধরে একটি মেয়েশিশুর অপেক্ষায় থাকা পরিবারটি অবশেষে নবজাতক গার্গিকে ঘরে ফিরিয়েছে রাজকীয় আয়োজনে। খবর এনডিটিভির।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রের পারলি এলাকার পরিবারটি হাসপাতাল থেকে গার্গি ও তার মা কল্পনা ঋষিকেশ দাহিফালেকে বাড়িতে আনতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করে। ফুলে সাজানো রথে করে মা ও মেয়েকে বাড়িতে নেওয়া হয়। এ সময় বাজানো হয় ঢাক-ঢোল ও ঝাঁঝর।

পরিবারটির এই আয়োজন দেখতে আশপাশের অনেক মানুষও সেখানে জড়ো হন। পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কন্যাসন্তান পাওয়ার আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, কল্পনা ঋষিকেশ দাহিফালের কোল আলো করে এসেছে গার্গি। পরিবারের দাবি, প্রায় ২০০ বছর পর তাদের বংশে কোনো কন্যাশিশুর জন্ম হয়েছে।

গার্গির দাদা লিম্বাজি দাহিফালে নাতনির জন্মের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলার আহমেদপুর তালুকের কোলওয়াদি গ্রামের বাসিন্দা লিম্বাজি বলেন, পরিবারে মেয়েশিশুর আগমন তাদের কাছে অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়।

তিনি ইন্ডিয়া টুডেকে বলেন, পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম তাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের। দীর্ঘদিন ধরে মেয়েশিশু না থাকার যে আক্ষেপ ছিল, নাতনির জন্মের মধ্য দিয়ে তা পূরণ হয়েছে।

গার্গির দাদি সুরেখা দাহিফালেও নাতনির জন্মে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আজ তাদের ঘরে লক্ষ্মী এসেছে। এতে তারা অত্যন্ত আনন্দিত।

গার্গির বাবার কাছেও মেয়ের জন্মটি পরিবারের জন্য বিশেষ আনন্দের মুহূর্ত। তাঁর ভাষ্য, সাধারণত মানুষ ছেলে সন্তানের প্রত্যাশা করে থাকেন। তবে কন্যাসন্তান জন্মের অনুভূতি ও আনন্দ সম্পূর্ণ ভিন্ন। মেয়েকে ফুলের মতো করে বড় করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।

পরিবারটির ভাষ্য, নিজেদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি সমাজের জন্য ইতিবাচক একটি বার্তা দিতেও এই আয়োজন করা হয়েছে। তাদের মতে, কন্যাসন্তানের জন্ম কোনো দুঃখের কারণ নয়; বরং এটি আনন্দ, গর্ব ও উদযাপনের উপলক্ষ।

সদ্য সংবাদ/ এআর

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. বিজয়া দশমী আজ, বিদায়ের সুরে দুর্গোৎসব সদ্য. আমরা সবাই বাংলাদেশি, সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী সদ্য. আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতে একমত ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সদ্য. বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ সদ্য. আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না তা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ফুরিয়ে আসছে অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মানলেও পতন মানতে নারাজ ইরান সদ্য. সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ পাঠাচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আাছে সদ্য. বৃহস্পতিবার খুলনা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সদ্য. বিজয়া দশমী আজ, বিদায়ের সুরে দুর্গোৎসব সদ্য. আমরা সবাই বাংলাদেশি, সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে চাই: সমাজকল্যাণমন্ত্রী সদ্য. আমাদের একমাত্র পরিচয় বাংলাদেশি, এই দেশ আপনার–আমার–সবার: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতে একমত ট্রাম্প-নেতানিয়াহু সদ্য. বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরির বার্তা অত্যন্ত বিপজ্জনক: হাসনাত আবদুল্লাহ সদ্য. আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না তা কৃষক কার্ডের মাধ্যমে জানতে পারবেন: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. ফুরিয়ে আসছে অর্থ, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মানলেও পতন মানতে নারাজ ইরান সদ্য. সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ পাঠাচ্ছে, আরেক পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী সদ্য. সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২ বাংলাদেশির বিষয়ে ‘গোপনীয়’ চিঠিতে যা আাছে