সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে মহাসড়ককেন্দ্রিক জরুরি সেবা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মহাসড়কে প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে জরুরি চিকিৎসাসেবায় অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের হাসপাতালে নিতে দেরি হলে ঝুঁকি বাড়ে। তাই দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অ্যাম্বুলেন্স নিশ্চিত করার মাধ্যমে দ্রুত উদ্ধার ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই সেবা সপ্তাহের সাত দিনই ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিবছর প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে। দুর্ঘটনা কমাতে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়; চালক ও সাধারণ পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন নিরাপদ সড়ক আইন প্রণয়নের পরিকল্পনার কথাও জানান সড়কমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, মহাসড়কের পাশে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৪টি ট্রমা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়াই এসব কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে দুর্ঘটনাপরবর্তী জরুরি সেবা আরও গতিশীল করতে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি প্যাট্রোল মোটরসাইকেল উদ্বোধন করা হয়।
সদ্য সংবাদ/এসএস