দুর্নীতি দমন কমিশনকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার মধ্যে এমন মন্তব্যই করেছেন সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান খান।
সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দুদক সচিব স্পষ্ট করে বলেন- দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কিংবা কোনো ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কমিশন কার্যক্রম পরিচালনা করে না। আইন অনুযায়ীই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে একই সংবাদ সম্মেলনে আসে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তথ্য।
দুদক জানিয়েছে, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম রুহুল হক এবং তার সন্তান জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এখানেই শেষ নয়।
ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ প্রায় ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বিরুদ্ধেও মামলা অনুমোদন করেছে দুদক।
একদিকে দুদক বলছে- কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রভাব নয়, আইন অনুযায়ীই পরিচালিত হচ্ছে সংস্থার কার্যক্রম।
অন্যদিকে একই সময়ে সাবেক মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা এবং সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা অনুমোদনের খবর সামনে এলো।
এখন প্রশ্ন- এই মামলাগুলোর তদন্তে কী তথ্য-প্রমাণ সামনে আসে, এবং শেষ পর্যন্ত অভিযোগগুলো কতটা প্রমাণিত হয়?
দুদক সচিবের বক্তব্য অনুযায়ী, আইন ও প্রমাণের ভিত্তিতেই এগোবে পরবর্তী কার্যক্রম।
অর্থাৎ, এখন নজর থাকবে অনুমোদিত এসব মামলার তদন্ত এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।
সদ্য সংবাদ/এসকে