মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী। তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মোমবাতি প্রজ্বালন করেন তাঁরা।
তাঁর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ কর্মসূচি পালন করা হয় বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী দুর্বার আদি।
সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ’-এর ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে শিক্ষার্থীরা মুরাদ চত্বরে জড়ো হন। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ মিনারে যান তাঁরা। সেখানে মোমবাতি জ্বালিয়ে মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শিক্ষার্থী দুর্বার আদি বলেন, সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ নিন্দনীয়। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে নিজের জন্মভূমিতে দাফন করতেও বাধার মুখে পড়তে হবে কেন?
কর্মসূচিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, জাবি শাখার সংগঠক সোমা ডুমরী বলেন, মানিক পশারীর দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উদ্বেগজনক। আইনি প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে কারও দাফনে বাধা দেওয়া তাঁর অধিকার ক্ষুণ্ন করার শামিল।
মানিক পশারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই তাঁরা মোমবাতি প্রজ্বালন করেছেন বলে জানান তিনি।
সদ্য সংবাদ/ এআর