শুনানির শুরুতেই আসামিদের পক্ষে করা অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ প্রসিকিউটর আবদুল্লাহ আল নোমান, সহিদুল ইসলাম ও অন্যরা। গ্রেপ্তার দুই আসামির পক্ষে আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ এবং রাষ্ট্রনিযুক্ত স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী মো. আমির হোসেন শুনানিতে অংশ নেন।
এ মামলায় রেদোয়ানুল ইসলাম ছাড়াও গ্রেফতার অপর আসামি হলেন বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম।
এর আগে, ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর। ১৪ ডিসেম্বর শুনানির দিন ধার্য থাকলেও বিশেষ কারণে তা হয়নি।
উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতায় রামপুরা এলাকায় ২৮ জন নিহত হন এবং আরও অনেকে আহত হন। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন চার আসামির বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা ফরমাল চার্জ দাখিল করে, যার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছে।