এর আগে নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব দেশের চিকিৎসকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও কর্মসংস্থানের সব ধরনের প্রক্রিয়া কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত চিকিৎসকদের প্রায় এক-চতুর্থাংশই বিদেশি নাগরিক, ফলে এই সিদ্ধান্ত দেশটির স্বাস্থ্যখাতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক হাসপাতাল বিদেশি চিকিৎসকদের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠায়, যা চিকিৎসাসেবায় সংকটের আশঙ্কা তৈরি করে। বিশেষ করে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভেনেজুয়েলার চিকিৎসকেরা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেও বহু চিকিৎসক ভিসা ও বৈধতা-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে কয়েকটি মার্কিন চিকিৎসক সংগঠন সরকারের কাছে নীতি পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে চিঠি দেয় এবং বিষয়টিকে জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই সুবিধা আপাতত শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত চিকিৎসকদের জন্য প্রযোজ্য। যারা বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রবেশসংক্রান্ত আগের নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া