ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে প্রার্থী অন্তর্ভুক্তির সময়সীমা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। এর পর কেউ প্রার্থিতা ফেরত পেলে বা পুনর্বহাল হলেও তিনি প্রবাসীদের ভোট পাওয়ার সুযোগ পাবেন না।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, আদালত যদি ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা পুনর্বহাল বা বাতিল করেন, তাহলে সেই প্রার্থী পোস্টাল ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত হবেন। তবে ৮ ফেব্রুয়ারির পর এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত এলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ক্ষেত্রে পোস্টাল ব্যালটের ভোট প্রযোজ্য হবে না।
সচিব জানান, ব্যালট ছাপিয়ে প্রবাসী ভোটারদের কাছে পাঠানো এবং ভোটগ্রহণ শেষে তা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফেরত আসতে যে সময় প্রয়োজন, ৮ ফেব্রুয়ারির পর সে সময় আর পাওয়া যাবে না বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ওসিভি ও আইসিপিভি প্রকল্পের পরিচালক ড. সালীম আহমাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত পোস্টাল ব্যালট বিডি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট প্রবাসে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৯ হাজার ৬০১ জন ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫৮৮ জন ভোট দিয়েছেন। ভোট প্রদান শেষে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ১৭৮ জন ব্যালট পোস্ট অফিসে জমা দিয়েছেন এবং ৫৫ হাজার ৩৮১টি ব্যালট ইতিমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছে।
নির্বাচনী প্রচারে ব্যানার ব্যবহারের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ব্যানারের নির্ধারিত মাপ ১০ ফুট বাই চার ফুট। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সাদাকালো ব্যানার ব্যবহারের কথা থাকলেও ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডে তা রঙিন হতে পারে। তবে কেউ যদি রঙিন ব্যানার তৈরি করেন বা পিভিসি ব্যবহার করেন, তাহলে সেটি নির্বাচনী আচরণবিধির ব্যতিক্রম হিসেবে গণ্য হবে এবং এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।