সিনেমাটিতে দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়া, মোটরসাইকেলে দীর্ঘ ভ্রমণ, হাসি-ঠাট্টা ও নানা টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে দুই চরিত্রের রসায়ন ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি চলচ্চিত্রটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনী শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান মিম।
তিনি বলেন, শুটিংয়ের সময় একবারও মনে হয়নি তারা অভিনয় করছেন। বরং মনে হয়েছে, তিনি যেন সত্যিই ‘অনন্যা’ চরিত্রটির জীবনযাত্রার অংশ হয়ে গেছেন।
মিম জানান, শুটিংয়ের আগে কুয়াকাটার ভেতরের দুর্গম এলাকায় কাজ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তার কিছু প্রশ্ন ছিল। তবে সেখানে পৌঁছে তিনি উপলব্ধি করেন, গল্পের আবহ ফুটিয়ে তুলতে এমন লোকেশনই সবচেয়ে উপযুক্ত ছিল। তার ভাষায়, ওই স্থানে পৌঁছাতে মোটরসাইকেল কিংবা ভ্যানে যাতায়াত করতে হয়েছে, আর সেটিই গল্পকে বাস্তবসম্মত করে তুলেছে।
এই কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে মিম বলেন, পুরো দলের সঙ্গে কাজ করে তিনি দারুণ আনন্দ পেয়েছেন। চরকির সঙ্গে এটিই তার প্রথম কাজ এবং এমন একটি গল্প দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পেরে তিনি সন্তুষ্ট।
চলচ্চিত্রটির গল্পের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত জীবনেরও মিল খুঁজে পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। বিশেষ করে বাবা-মেয়ের সম্পর্কের বিষয়টি তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, ছবিতে যা দেখানো হয়েছে, তার বাস্তব জীবনও অনেকটা তেমনই। তিনি বাবা-মায়ের সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবার অসুস্থতা সন্তানের জন্য অত্যন্ত কঠিন এক বাস্তবতা হয়ে ওঠে, আর তিনিও এখন সেই সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।