আদালত জানায়, যে জমিগুলো ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়েছে, সেগুলো বিএসএফ-কে দেওয়া আবশ্যক। দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তের অনেক অংশ অরক্ষিত থাকায় কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং জানতে চান, জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কেন জমি অধিগ্রহণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রায় ১৮০ কিলোমিটার সীমান্তের জন্য কেন্দ্র ইতোমধ্যেই রাজ্যকে অর্থ দিয়েছে। যেসব এলাকায় এখনও মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাননি, সেসব জমি জরুরি ভিত্তিতে অধিগ্রহণ করা সম্ভব কিনা, তা কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়কেই হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ