বুধবার (৬ মে) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটের সামনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'হাম-রুবেলা, ওরাল পোলিওসহ মোট ১০ ধরনের টিকার নতুন চালান দেশে এসেছে। এর আগে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে কাতার এয়ারওয়েজের একটি কার্গো ফ্লাইটে ভ্যাকসিনগুলো ঢাকায় পৌঁছে।'
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চলমান নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে সৃষ্ট সংকট নিরসনে এই চালান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সম্প্রতি দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে ভ্যাকসিন আনা হয়েছে। এছাড়া জরুরি ক্যাম্পেইনে নিয়মিত স্টকের টিকা ব্যবহার করায় কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছিল।
পরে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের কাছ থেকে ভ্যাকসিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, 'মাত্র ২৪ দিনের মধ্যে এই চালান দেশে পৌঁছানো একটি রেকর্ড। আগামী ১০ মের মধ্যে আরও ১ কোটি ৮ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসবে। এতে করে প্রায় এক বছরের জন্য ভ্যাকসিনের কোনো ঘাটতি থাকবে না।'
মন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, 'এখন পর্যন্ত জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির ৯৩ শতাংশ লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং হামের টিকাদানে কোনো অব্যবস্থাপনা নেই। পরিস্থিতি অবনতি হলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
উল্লেখ্য, গত ৩ মে ইউনিসেফ প্রথম চালানে ১৫ লাখের বেশি আইপিভি ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছিল।