বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন দেশে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছে লন্ডন। বৈশ্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি ব্রিটিশ সরকারের।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের যুক্তরাজ্যে থাকা সব ধরনের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ব্রিটেনে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া, নিষেধাজ্ঞাভুক্ত ব্যক্তিরা কোনো ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানে পরিচালক কিংবা নীতি-নির্ধারণী পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না বলেও জানিয়েছে যুক্তরাজ্য।
বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে যুক্তরাজ্যের এ নতুন পদক্ষেপ তেহরান ও লন্ডনের কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করে তুলতে পারে।