ইরান যুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করেছেন অধিকাংশ মার্কিন ভোটার

A
Admin
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৩৭:৩০
যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের অধিকাংশই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের সরাসরি বিরোধিতা করছেন এবং তারা মনে করছেন এই সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইসরায়েলের জন্য বেশি সুবিধাজনক।

‘ডেটা ফর প্রগ্রেস’ সংস্থার পরিচালিত নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, ৫৬ শতাংশ ভোটার বিশ্বাস করছেন যে যুদ্ধ থেকে ইসরায়েলই বেশি লাভবান হচ্ছে, আর মাত্র ২৯ শতাংশ মনে করেন এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উপকারী। সামগ্রিকভাবে ৫৩ শতাংশ ভোটার মার্কিন হামলার সরাসরি বিরোধিতা করেছেন, ৪৩ শতাংশ সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

ওয়াশিংটনের ১ হাজার ২১৫ জন সম্ভাব্য ভোটারের ওপর জরিপে দেখা গেছে, ৫১ শতাংশ ভোটার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করতে কংগ্রেসের মাধ্যমে ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোলিউশন’ পাসের পক্ষে মত দিয়েছেন। রাজনৈতিকভাবেও রিপাবলিকান দল এই সংঘাতের কারণে চাপের মুখে রয়েছে।

জরিপে আরও দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ ভোটার বলছেন, এই যুদ্ধের ফলে তাদের রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থন কমেছে। এছাড়া, রিপাবলিকান সমর্থকদের মধ্যে প্রজন্মগত ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে। ৪৫ বছরের কম বয়সী রিপাবলিকানদের ৬৮ শতাংশ এমন প্রার্থীকে পছন্দ করছেন যারা ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমাবেন। অন্যদিকে, ৪৫ বছরের বেশি বয়সী রিপাবলিকানদের ৫৬ শতাংশ এখনও ইসরায়েলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে রয়েছেন।

৪৩ শতাংশ ভোটার মনে করেন, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে ইসরায়েলের প্রভাব প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। ডেমোক্র্যাটিক দলের যেসব প্রার্থী অভ্যন্তরীণ ইস্যুকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারা প্রথাগত অবস্থানের প্রার্থীদের তুলনায় জনসমর্থনে এগিয়ে আছেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান অভিমুখে শুরু হওয়া হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ইরান সরকারের দাবিতে, নিহতদের মধ্যে রয়েছে তাদের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও শীর্ষ কর্মকর্তারা, পাশাপাশি ১৬০ এর বেশি শিশু।

সংঘাতের জেরে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালাচ্ছে, যা তারা ওই অঞ্চলে ‘মার্কিন সম্পদ লক্ষ্য করে আক্রমণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। সেন্ট্রাল কমান্ডের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচল বিঘ্নিত হওয়ায় তেল ও গ্যাসের দাম বিশ্ববাজারে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাত ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বিপর্যের ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতি মার্কিন ভোটারদের ক্রমবর্ধমান অনীহা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মন্তব্য (0)

মন্তব্য করুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

বিজ্ঞাপনের জন্য খালি স্পেস

শিরোনাম:
সদ্য. পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান সদ্য. দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা কি.মি বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব সদ্য. জাতিসংঘে ভাষণ, ‘আমাদের’ বিরাট পদোন্নতি বলে উচ্ছ্বসিত ড. ইউনূস সদ্য. সংস্কার ছাড়া জ্বালানি সংকটের সমাধান নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সদ্য. গাজী নজরুলের ৪ দিন ও স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর সদ্য. ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ বরখাস্ত ৬ কর্মকর্তা সদ্য. বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম সদ্য. দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সদ্য. বিস্ফোরক মামলার আসামি দুই বছর আগে ক্যান্সারে মারা যাওয়া যুবলীগ নেতা সদ্য. বিআরটিএতে বাস ভাড়া বাড়ানোর মিটিং চলছে সদ্য. পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন তারেক রহমান সদ্য. দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা কি.মি বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব সদ্য. জাতিসংঘে ভাষণ, ‘আমাদের’ বিরাট পদোন্নতি বলে উচ্ছ্বসিত ড. ইউনূস সদ্য. সংস্কার ছাড়া জ্বালানি সংকটের সমাধান নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সদ্য. গাজী নজরুলের ৪ দিন ও স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর সদ্য. ঢাকার সাবেক পুলিশ সুপারসহ বরখাস্ত ৬ কর্মকর্তা সদ্য. বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম সদ্য. দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে বাসভাড়া ৫০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সদ্য. বিস্ফোরক মামলার আসামি দুই বছর আগে ক্যান্সারে মারা যাওয়া যুবলীগ নেতা সদ্য. বিআরটিএতে বাস ভাড়া বাড়ানোর মিটিং চলছে