সোমবার (১৩ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'এখন বল ইরানের কোর্টে। অর্থাৎ আলোচনায় পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে ইরানের সিদ্ধান্তের ওপর।'
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পায়। এর জবাবে ইরানও অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়।
উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়ে ইসলামাবাদে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করলেও সেখান থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি আসেনি।
এমন প্রেক্ষাপটে ভ্যান্স বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই দেখিয়েছেন যে, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত। যদি ইরান অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকে, তবে যুক্তরাষ্ট্রও এমন নীতি গ্রহণ করবে যাতে কোনো ইরানি জাহাজ দেশ ছাড়তে না পারে।'
সর্বশেষ পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ভবিষ্যৎ।