মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেবে না। ওই প্রতিপক্ষকে আমরা সামরিকভাবে পরাজিত করেছি এবং তাদের হাতে কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতা পৌঁছাতে দেব না। তারা বিষয়টি ভালোভাবেই জানে। এ বিষয়ে রাজা চার্লস আমার চেয়েও বেশি একমত।'
তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজা চার্লস সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। নিজের বক্তব্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের ‘অপরিহার্য জোট’ এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সংকটময় সময়ে দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
রাজা চার্লস তার ভাষণে ইরান প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেও ন্যাটোর মতো আন্তর্জাতিক জোটের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
এই আয়োজন ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ওপর দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে। রাজা চার্লসের এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টা চললেও ট্রাম্পের মন্তব্য নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা