প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ২১ এপ্রিল শেষ হওয়ার আগেই নতুন করে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্য—গত ছয় সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের অবসানে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।
মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, বৈঠকের বিষয়ে এখনও আলোচনা চলছে। তবে মধ্যস্থতাকারী একটি দেশের এক কূটনীতিকের দাবি, তেহরান ও ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে নীতিগতভাবে নতুন দফার আলোচনায় সম্মত হয়েছে।
আলোচনার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে ইসলামাবাদ ও জেনেভা-র নাম উঠে এসেছে। তবে সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। তবুও বৃহস্পতিবার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
এর আগে সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'ওপক্ষ থেকেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।'
অন্যদিকে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইসলামাবাদের আলোচনায় ইরান কিছুটা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের দিকে এগিয়েছে। তবে অগ্রগতি আরও এগিয়ে নিতে এখন তেহরানের ওপরই দায়িত্ব বর্তায়।
ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'সবকিছুই ভুল হয়েছে—এমনটা বলব না। অনেক কিছু ঠিকভাবেই হয়েছে। আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছি।'
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভ্যান্স। তার সঙ্গে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও উপস্থিত ছিলেন।
নতুন দফার এই সম্ভাব্য বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।