‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট ঢাকাসহ সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র্যাব। দিবসটি ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নাশকতামূলক তৎপরতা মোকাবিলায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে থাকবে র্যাবের অতিরিক্ত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।
র্যাব জানিয়েছে, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দিবসকে কেন্দ্র করে জারি করা আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকায় সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা করেছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক তথ্যদাতা নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
৪ আগস্ট দিবাগত রাত থেকেই অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত পথ এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। এসব স্থানে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের পথে সাদা পোশাকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগের নাশকতা ঠেকাতে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
র্যাব আরও জানিয়েছে, প্রতিটি জেলার অনুষ্ঠানস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে নাশকতা ঠেকাতে দিবসটির সাত দিন আগে থেকেই ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ প্রতিরোধ করা এবং আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তারা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।