ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে প্রজেক্টাইল নিক্ষেপের পর লেবাননজুড়ে হিজবুল্লাহর স্থাপনা ও সামরিক অবকাঠামো টার্গেট করে হামলা চালানো হয়। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈরুতের দক্ষিণাংশসহ একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটি বলেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ এবং লেবানন ও তার জনগণের প্রতিরক্ষার স্বার্থে তারা রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির পর এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে হামলার কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করল হিজবুল্লাহ। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনায় সীমান্তজুড়ে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, প্রথমে বৈরুতে হামলা চালানোর পর ধাপে ধাপে দেশের বিভিন্ন অংশে অভিযান বিস্তৃত করে ইসরায়েলি বাহিনী।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম ইসরায়েলের ওপর হামলাকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও সন্দেহজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে পূর্ণমাত্রার সংঘাতে রূপ নিতে পারে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বানও উঠছে।