রবিবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল–১-এ এসব মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
চলতি বছরের ৮ অক্টোবর বিগত হাসিনা সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় দুইটি এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা আরেকটি মামলাসহ মোট তিন মামলায় মোট ২৫ জন সাবেক ও কর্মরত সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। একইদিন প্রসিকিউশন এসব মামলার ফরমাল চার্জ দাখিল করে।
পরবর্তীতে ২২ অক্টোবর সকালে সাধারণ পোশাকে বিশেষ প্রিজন ভ্যানে সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা ১৫ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে তাদের ঢাকা সেনানিবাস ঘোষিত সাব-জেলে স্থানান্তর করা হয়।
গুম-নির্যাতনের দুই মামলার পলাতক আসামিদের হাজির হওয়ার জন্য বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল, যা ইতোমধ্যে প্রকাশ হয়েছে।
এ ছাড়া পৃথক দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল–১।