আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এশিয়ার বাজার খোলার পরপরই তেলের দামে পতন লক্ষ্য করা যায়। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ১ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ০৫ ডলারে নেমে এসেছে।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দামও কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তা ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে, তবুও পুরো সপ্তাহজুড়ে দাম ৯০ ডলারের ঘরেই ছিল।
এদিকে, চলতি সপ্তাহান্তে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং এতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত প্রশমনের আশাবাদ জোরদার হয়েছে।
তবে জ্বালানি বাজারে ইতিবাচক ইঙ্গিত থাকলেও এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লেনদেনের শুরুতে জাপানের নিক্কেই সূচক প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। হংকংয়ের বাজার ০.৬৯ শতাংশ নিম্নমুখী রয়েছে।
এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ০.৪৬ শতাংশ এবং তাইওয়ানের তাইএক্স সূচক ০.৮০ শতাংশ কমে দিনের লেনদেন শুরু করে। শাংহাই শেয়ারবাজারও শুরুতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে আগের দিন উত্থান দেখা গেলেও এশিয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা এখনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তারই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে এবার জ্বালানি বাজারে।