শুক্রবার (১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তেহরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। যুদ্ধের অবসান নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো যাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। সে কারণে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
চুক্তির বিস্তারিত অনুযায়ী, কাতারের জন্য প্রায় ৪.০১ বিলিয়ন ডলারের প্যাট্রিয়ট বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ সেবা এবং ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলারের উন্নত মারণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কুয়েতের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলারের একটি ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম। এছাড়া ইসরায়েলের জন্য ৯৯২.৪ মিলিয়ন ডলার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য ১৪৭.৬ মিলিয়ন ডলারের উন্নত মারণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের সামরিক সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে পারে, তবে একই সঙ্গে আঞ্চলিক উত্তেজনাও বাড়াতে পারে।