বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কার্যক্রমের বিভিন্ন অজানা দিক তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে দীর্ঘ সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলেও নির্বাচন পদ্ধতি বা রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে সরকারের কেউ আমার কোনো পরামর্শ চায়নি। আমি তাদের কনসালট্যান্ট ছিলাম না।'
সাক্ষাৎকারে সরকারের ভেতরে একটি ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ বা প্রভাবশালী ছোট একটি মহলের অস্তিত্বের ইঙ্গিত দেন তিনি।
২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পতনের পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়ার পর পুলিশের ব্যবহৃত ‘৭.৬২ বোর’ রাইফেল এবং এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনায় আসেন সাখাওয়াত হোসেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘পুলিশের এই মারাত্মক মারণাস্ত্র সাধারণ মানুষের হাতে কীভাবে গেল, তা নিয়ে আমি তদন্ত করতে চেয়েছিলাম। ভিডিওতে দেখেছি লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরা ব্যক্তিদের হাতে পুলিশের রাইফেল। এমনকি হেলিকপ্টারে থাকা স্নাইপারদের অনেকের শারীরিক গঠন ও চেহারা আমাদের দেশের মানুষের মতো ছিল না।’
সাখাওয়াত হোসেন আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সাত-আট দিনের মাথায় তিনি উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বলেছিলেন, ‘আমার পক্ষে থাকা সম্ভব না, থাকলে আপনিও বিব্রত হবেন।’
উল্লেখ্য, ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সাখাওয়াত হোসেন ২০২৪ সালের আগস্টে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি তার অভিজ্ঞতার এসব বিষয় জনসমক্ষে তুলে ধরলেন।