ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রম ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনার ফলে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ বছরে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে টিসিবির অডিটোরিয়ামে সংস্থাটির মোবাইল অ্যাপ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি জানান, ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে টিসিবির কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে উপকারভোগীদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছানোর পাশাপাশি ভর্তুকি ব্যবস্থাপনাতেও ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বর্তমানে টিসিবির সেবা পাচ্ছেন প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ। এই সংখ্যা বাড়িয়ে এক কোটিতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, উপকারভোগীদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে সেবাব্যবস্থাকে আরও সহজ করা হচ্ছে। কারও টিসিবির কার্ড হারিয়ে গেলেও যাতে তিনি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।
টিসিবির ডিলার নিয়োগ নিয়েও কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে ডিলার হওয়ার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক হলেও সবার জন্য নিয়োগের সুযোগ নেই।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ডিলারদের আয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ তৈরির বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। তবে বর্তমানে যে সংখ্যক ডিলার প্রয়োজন, তার বাইরে অতিরিক্ত নিয়োগ দেওয়ার বাস্তবতা নেই। ফলে যারা ডিলার হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন না, তাদের মধ্যে হতাশা থাকলেও চাইলেই সবাইকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নয়।
সদ্য সংবাদ/এসকে