মালদ্বীপে মারা যাওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি মো. আব্দুল জলিলের মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের আর্থিক সহায়তায় ১ সেপ্টেম্বর তার মরদেহ বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে।
৫৫ বছর বয়সী আব্দুল জলিল কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি কর্মসংস্থানের জন্য মালদ্বীপে যান তিনি। পরে গত ২৯ আগস্ট রাজধানী মালে শহরে ঘুমের মধ্যে তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরপরই আব্দুল জলিলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ হাইকমিশন। মরদেহ দেশে পাঠানোর আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করতে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে হাইকমিশন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের কল্যাণ তহবিল থেকে পাওয়া আর্থিক সহায়তায় মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুরো কার্যক্রমে পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাশাপাশি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের কনস্যুলার ও মানবিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।
আব্দুল জলিলের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। তিনি মরহুমের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এ কঠিন সময় মোকাবিলায় ধৈর্য ও শক্তি দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন।
হাইকমিশন জানিয়েছে, মালদ্বীপে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। কোনো বাংলাদেশি প্রবাসী অসুস্থতা, দুর্ঘটনা, মৃত্যু কিংবা অন্য কোনো মানবিক সংকটে পড়লে প্রয়োজন অনুযায়ী কনস্যুলার ও মানবিক সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ সরকার, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য অংশীজনের সহযোগিতায় ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
সদ্য সংবাদ/এসএস