রুশ দাবি অনুযায়ী, পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে রাশিয়া তাদের কৌশলগত সামরিক সক্ষমতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সারমাত’ বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাগুলোর একটি। পশ্চিমা দেশগুলোর প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির তুলনায় এটি বহুগুণ বেশি বিধ্বংসী ক্ষমতাসম্পন্ন।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি রুশ সেনাবাহিনীর যুদ্ধকালীন দায়িত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে মোতায়েন করা হতে পারে। এটি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরীক্ষার ফলে বৈশ্বিক সামরিক ভারসাম্যে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও উত্তর কোরিয়ার মতো পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
দীর্ঘ গবেষণা ও একাধিক ধাপের পরীক্ষার পর উন্নত এই ক্ষেপণাস্ত্রকে রাশিয়ার কৌশলগত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স