বাংলাদেশ সরকার ২০২৬ সালে সরস্বতী পূজা, ২১ ফেব্রুয়ারি, মে দিবস, বুদ্ধপূর্ণিমা, পবিত্র আশুরা, শুভ জন্মাষ্টমী, মধু পূর্ণিমা ও শুভ মহালয়ার ছুটি বাতিল করেনি বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। এসব ছুটি বাতিল করা হয়েছে—এমন খবর সত্য নয় বলে সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট করেছে প্রেস উইং।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকটি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২৬ সালের এসব গুরুত্বপূর্ণ দিবসের ছুটি বাতিল করা হয়েছে বলে যে দাবি প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য।
প্রেস উইং জানায়, প্রকৃতপক্ষে এসব দিবস ২০২৬ সালে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেই পড়েছে। সে কারণে আলাদাভাবে অতিরিক্ত সরকারি ছুটি হিসেবে সেগুলো উল্লেখ করা হয়নি।
প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাবিনা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ১৭ জানুয়ারি শবে মেরাজ, ২৩ জানুয়ারি শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা, ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১ মে মে দিবস ও বুদ্ধপূর্ণিমা, ২৬ জুন পবিত্র আশুরা, ৪ সেপ্টেম্বর শুভ জন্মাষ্টমী, ২৬ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার বিপরীতে ছুটির দিন সংখ্যা শূন্য দেখানো হয়েছে। কারণ এসব দিবস শুক্রবার বা শনিবারে পড়েছে।
অর্থাৎ, যেসব সরকারি ছুটি সাপ্তাহিক ছুটির দিনের সঙ্গে মিলেছে, সেগুলো নতুন করে অতিরিক্ত ছুটি হিসেবে গণনা করা হয়নি।
প্রেস উইং আরও জানায়, গত দুই বছরের সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপন বিশ্লেষণ করলেও একই চিত্র পাওয়া যায়। সেখানেও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাওয়া সরকারি ছুটিগুলো আলাদাভাবে অতিরিক্ত ছুটি হিসেবে দেখানো হয়নি।
সবশেষে প্রেস উইং স্পষ্ট করে জানায়, ছুটি বাতিলের যে দাবি প্রচার করা হয়েছে, তা সত্য নয়; বরং সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিল থাকায় সেগুলো নতুন করে ছুটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।