প্রতি বছর রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি হিসেবে এই তালিকা প্রকাশ করে টাইম। এবারের তালিকায় বিশ্বনেতা, উদ্যোক্তা, শিল্পী ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা স্থান পেয়েছেন।
ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরোর সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক চার্লি ক্যাম্পবেল। সেখানে বলা হয়, কয়েক মাস আগেও লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। তবে ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দ্রুত উত্থান ঘটে তারেক রহমানের।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে জাতীয় নেতৃত্বে অভিষেক ঘটে তারেক রহমানের। এর মধ্য দিয়ে তিনি তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার অনুসরণ করেন।
ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় খালেদা জিয়ার মৃত্যু তার ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে। এরপরও দেশের ১৭ কোটি মানুষের ঐক্য এবং অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যুব বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন—এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এতে আরও বলা হয়, অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ—যদিও পরবর্তীতে আদালতে খারিজ হয়েছে—তার রাজনৈতিক যাত্রার শুরুতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে থাকার পর সময় নষ্ট না করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চান তিনি।
এদিকে, এবারের তালিকায় আরও স্থান পেয়েছেন গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ভারতের অভিনেতা রণবীর কাপুর, হলিউড অভিনেত্রী ডাকোটা জনসন, ইরানের চলচ্চিত্র নির্মাতা জাফর পানাহি এবং মার্কিন রাজনীতিক মার্কো রুবিও সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।