বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রির ক্লাস শুরু করেন ২০২২ সালের ২৮ মার্চ। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত স্টুডেন্ট আইডি কার্ডে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত। ফলে চার বছর মেয়াদি ডিগ্রির বিপরীতে শিক্ষার্থীরা পান মাত্র তিন বছর তিন মাস মেয়াদি আইডি কার্ড।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বলেন, 'আমরা এখনো তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, অথচ কয়েক মাস পরেই আমাদের আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণে প্রত্যায়নপত্রের জন্য আমাদের অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে। যেকোনো কাজে গেলেই পরিচয়ের জন্য ২০০ টাকা দিতে হবে।'
এ বিষয়ে শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন বলেন, 'চার বছর মেয়াদি স্নাতক কোর্সের ক্ষেত্রে সাধারণত চার বছর মেয়াদের আইডি কার্ড দেওয়া হয়। যদি তিন বছর মেয়াদের কার্ড দিয়ে থাকে, তবে তা কর্তৃপক্ষের ভুল। সে ক্ষেত্রে নতুন আইডি কার্ড প্রদান করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।'
সাইবার সেন্টারের সহকারী পরিচালক ও ইউনিট হেড সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাহাদ হোসেন বলেন, 'আমরা বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করছি। সম্প্রতি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে-ভর্তি হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের কোর্স ডিউরেশন অনুযায়ী চার বছর ছয় মাস মেয়াদের আইডি কার্ড প্রদান করা হবে।'
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক বলেন, 'আইসিটি সেল বরাবর লিখিত অভিযোগ দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তবে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন-চার বছর মেয়াদি একটি স্নাতক কোর্সে কীভাবে তিন বছর মেয়াদের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড দেওয়া হলো? প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে প্রত্যায়নপত্রের অর্থ আদায় অযৌক্তিক বলেই মনে করছেন তারা। দ্রুত বিনা খরচে নতুন আইডি কার্ড ইস্যুর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।