সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জ অতিক্রম করেছে। তবে জেলায় প্রবেশের পর নিরাপত্তার অংশ হিসেবে লংমার্চের ট্রাকে থাকা সমর্থকেরা মাথায় হেলমেট পরেন। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, জেলার কোথাও পথসভা বা সমাবেশ না করে দ্রুতগতিতে গাড়িবহর নিয়ে গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যান তাঁরা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভাঙ্গা হয়ে নির্ধারিত পথে লংমার্চের প্রায় ১ হাজার ৩০০টি গাড়ি গোপালগঞ্জ শহরে প্রবেশ করে। এসব গাড়ির মধ্যে ছিল প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও ট্রাক। এ সময় হেলমেট পরা নেতাকর্মীদের বহনকারী ট্রাকটি গাড়িবহরের সামনে রেখে পুরো শহর অতিক্রম করা হয়। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দুই পাশে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে দাঁড়িয়ে লংমার্চের সাত দফা দাবির প্রতি সমর্থন জানান জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
লংমার্চের গাড়িবহর চলাচলের সময় গোপালগঞ্জের মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এসআরবি, এপিবিএন, সাদাপোশাকের গোয়েন্দা সদস্য ও পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
এর আগে জোট ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতারা জানিয়েছিলেন, গোপালগঞ্জের মহাসড়ক ব্যবহার করে লংমার্চের গাড়িবহর অতিক্রম করবে। তবে জেলার কোথাও কোনো সমাবেশ বা পথসভা করা হবে না।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে গোপালগঞ্জ অতিক্রম করে লংমার্চের গাড়িবহর। পরে দ্রুতগতিতে বাগেরহাট ও খুলনার দিকে এগিয়ে যায় গাড়িগুলো।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ জানান, জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে গাড়িবহর নিয়ে লংমার্চ কর্মসূচির বিষয়ে অবগত হওয়ার পর জেলায় নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার টহল জোরদার করা হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ্জামান জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সদ্য সংবাদ/ এরআর