ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পুরোনো নকশার নোট বিনিময় করা হচ্ছে। এসব নোট কখনো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়নি, ফলে প্রচলনে কোনো বাধা নেই।
প্রসঙ্গত, জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট বাজারে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরবর্তীতে নতুন ডিজাইনের নোট চালু করা হয়।
সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালের ঈদুল আজহার সময় পুরোনো ছাপের নোট বিতরণ বন্ধ করা হয়েছিল। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সেগুলো পুনরুদ্ধার করা হয় এবং বর্তমানে প্রয়োজন অনুযায়ী তা আবার বিতরণ করা হচ্ছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নতুন নকশার নয় ধরনের নোট ছাপাতে গিয়ে চাহিদার সঙ্গে তাল মেলানো সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে আগে ছাপানো পুরোনো ডিজাইনের নোট ধাপে ধাপে ছাড়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় হবে না—এমন ঘোষণার পরও খোলাবাজারে বেশি দামে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি নতুন নোট ছাপানোর ধীরগতিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।