ডয়চে ভেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ সর্বশেষ হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ভূমিকম্পে প্রায় ৫৯ হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাজধানী কারাকাসে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করে, যা সময়ের সঙ্গে আরও তীব্র হয়েছে। তবুও স্বজনদের সন্ধানে বহু মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষা করছেন।
এমনই একজন মিরেল্লা হেরেরা। তিনি ধসে পড়া একটি ভবনের পাশে ছেলের খোঁজে অপেক্ষা করছেন। সিএনএনকে তিনি বলেন, এই অপেক্ষা মানসিকভাবে অত্যন্ত কষ্টদায়ক। নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পানি পান করছেন, হাঁটছেন এবং এই আশা ধরে রেখেছেন যে, যদি তার স্বজনেরা এখনো জীবিত থাকেন, তবে তারা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রকাশিত স্যাটেলাইট তথ্যের প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের ভূমিকম্পে প্রায় ৫৮ হাজার ৮৭০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা ধ্বংস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষক কোরি শের ও জ্যামন ভ্যান ডেন হোক ২৫ জুন সংগ্রহ করা ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার সেনটিনেল-১ উপগ্রহের রাডার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই মূল্যায়ন দিয়েছেন। তবে তারা এটিকে প্রাথমিক ও দ্রুত মূল্যায়ন বলে উল্লেখ করেছেন।