নেকাব নিয়ে বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘এই কূপমণ্ডূক যা বলেছে, নিশ্চয়ই তা ক্ষমার অযোগ্য।’
নেকাব নিয়ে বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘এই কূপমণ্ডূক যা বলেছে, নিশ্চয়ই তা ক্ষমার অযোগ্য।’
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের বক্তব্যসংবলিত একটি টেমপ্লেট শেয়ার করে ক্যাপশনে এ কথা লেখেন তিনি।
তার ক্যাপশনটি হুবহু তুলে ধরা হলো— ‘নেকাব করা না করার বিষয়ে ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে উত্তমতার স্তর নির্ধারণে বহুবিধ বক্তব্য রয়েছে। ক্ষেত্রবিশেষে প্রয়োজন–অপ্রয়োজন সংশ্লিষ্টতা নিয়েও অনেক বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য রয়েছে। কিন্তু এই কূপমণ্ডূক যা বলেছে, নিশ্চয়ই তা ক্ষমার অযোগ্য। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মীয় বিধি-বিধান মান্য করা না করার ক্ষেত্রে গড়পরতা উদাসীন থাকলেও বিশ্বাসের দিক থেকে খুবই সেনসিটিভ। তাই এই গণ্ডমূর্খের কোনো দলীয় পরিচয় থাকলে অবশ্যই তা প্রত্যাহার করা উচিত এবং ধর্ম অবমাননার দায়ে তাকে বিচারের সম্মুখীন করা উচিত। বিএনপির চেয়ারম্যান প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমানকে বলতে চাই— বিএনপি এ দেশে প্রতিষ্ঠালগ্নেই যে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল, সেটি শহীদ জিয়াউর রহমানের ইসলামবান্ধব নীতির কারণেই। যেটার শতভাগ শূন্যতা ছিল আওয়ামী লীগের মধ্যে। তাই অনুরোধ করব— অবিলম্বে এই ধরনের অবিমৃষ্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিন। প্লিজ!’
এর আগে এক গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর নেকাব বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন। সেখানে তিনি নেকাবকে ইসলামের পোশাক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং বলেন, ‘ইহুদি নারীরা যখন বেশ্যাবৃত্তি করত অথবা অন্য কোনো নিষিদ্ধ কার্যক্রম করত, তখন নেকাব পরত। হিজাব হলো মুসলমানের ড্রেস, কিন্তু নেকাব মুসলমানের ড্রেসই না।’
পরে এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সূত্রপাত হয়।