অন্যদিকে কওমি ও তাবলিগপন্থী সমর্থকদের ঘাঁটিকে ভরসা করে ইসলামী আন্দোলনও সমান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে চায়। দলের এক কেন্দ্রীয় নেতা জানান, ৩০০ আসনের জন্যই তাদের প্রস্তুতি রয়েছে এবং প্রায় ২০০ আসনে নিজেদের অবস্থানকে ‘শক্তিশালী’ মনে করছেন তারা। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে জোটগত সমঝোতার ওপর।
জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাড়া জানিয়েছেন, আলোচনায় ২৩০–২৪০ আসনের প্রস্তাব করবেন তারা। তবে, শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটা নেমে ২০০–তে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি।
এদিকে, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনুস আহমাদ বলেন, আমাদের ১৫০ আসনে ভালো সম্ভাবনা আছে। কোথায় কাকে প্রার্থী করা হবে, তা যৌথ সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে। আট দলের কর্মীরা অঞ্চলভিত্তিকভাবে একসঙ্গে কাজ করবে।'
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, 'জোটের সর্বোচ্চ সমঝোতার ভিত্তিতেই প্রার্থী চূড়ান্ত হবে। ডিসেম্বরের শুরুতেই যৌথ প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রার্থী চূড়ান্তে আসন সংখ্যা নয়, বরং স্থানীয় জনসমর্থন ও জয়ের সক্ষমতাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।'