শনিবার (২২ নভেম্বর) নান্দিনা এলাকা থেকে সেনা সদস্যরা তাদের আটক করে। আটককৃতদের বাজিতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে এহসানুল হুদার কর্মীরা নির্বাচনী মিছিল বের করলে একই সময়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের সমর্থকরা মানববন্ধন পালন করেন। ফেরার পথে দু’পক্ষের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে এহসানুল হুদার কিছু কর্মী আহত হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে মিছিলে হামলা ও কর্মীদের আহতের ঘটনায় মামলা দায়েরের উদ্দেশ্যে সৈয়দ এহসানুল হুদার ২৫-৩০ জন কর্মী দেশীয় অস্ত্র হাতে থানায় যান। সেসময় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক করা আসামিদের পুলিশে সোপর্দ করতে বাজিতপুর সেনা ক্যাম্পের ইনচার্জসহ সেনা সদস্যরা থানায় অবস্থান করছিলেন। সেনা সদস্যরা সবার হাতে লাঠিসোঁটা দেখে তাদের ঘিরে ফেলেন।
সূত্র আরো জানায়, সবার শরীর তল্লাশি করে সেনা সদস্যরা কথিত ‘আওয়ামী ক্যাডার’ গোলাম সারোয়ার জেহাদের কাছে ছয় রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল এবং অন্যদের কাছে থাকা একটি রামদা ও ১১টি স্টিলের রড উদ্ধার করেন। পরে গোলাম সারোয়ার জেহাদসহ ২২ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ থানায় সোপর্দ করে সেনাবাহিনী।
বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরজ্জামান মনির বলেন, ‘এহসানুল হুদা বিএনপির কাছ থেকে মনোনয়ন দাবি করলেও তিনি অস্ত্র ও লাঠিসোটাসহ মিছিল করেন আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে। যারা আটক হয়েছে, এর বাইরেও তাঁর অনেক সন্ত্রাসী রয়ে গেছে।’
অন্যদিকে এহসানুল হুদা অভিযোগ করেন, তাঁর মিছিলে বিএনপির মিছিল থেকে গুলি করা হয়েছে। রামদা নিয়ে হামলা করা হয়েছে। বেশ কিছু পিকআপ ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়েছে। মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও আক্রান্ত হয়েছেন।
তিনি দাবি করেন, তাদের মিছিলে কোন আগ্নেয়াস্ত্র ছিল না। যারা আটক হয়েছে, সবাই তাঁর কর্মী কিনা নিশ্চিত নন। ঘটনা স্যাবোটাজও হতে পারে।